কোন বিজ্ঞানী কিসে জনক ছিলেন


 ® জনক 👇👇


💜১। জীব বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ এরিস্টটল

💜২। প্রাণী বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ এরিস্টটল

💜৩। রসায়ন বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ জাবির ইবনে হাইয়ান

💜৪। পদার্থ বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ আইজ্যাক নিউটন

💜৫। সমাজ বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ অগাষ্ট কোঁৎ

💜৬। হিসাব বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ লুকাপ্যাসিওলি

💜৭। চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ ইবনে সিনা

💜৮। দর্শন শাস্ত্রের জনক কে?

উত্তরঃ সক্রেটিস

💜৯। ইতিহাসের জনক কে?

উত্তরঃ হেরোডোটাস

💜১০। ভূগোলের জনক কে?

উত্তরঃ ইরাটস থেনিস

💙১১। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ এরিস্টটল

💙১২। অর্থনীতির জনক কে?

উত্তরঃ এডাম স্মিথ

💙১৩। অংকের জনক কে?

উত্তরঃ আর্কিমিডিস

💙১৪। বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ থ্যালিস

💙১৫। মেডিসিনের জনক কে?

উত্তরঃ হিপোক্রটিস

💙১৬। জ্যামিতির জনক কে?

উত্তরঃ ইউক্লিড

💙১৭। বীজ গণিতের জনক কে?

উত্তরঃ আল -খাওয়াজমী

💙১৮। জীবাণু বিদ্যার জনক কে?

উত্তরঃ লুই পাস্তুর

💙১৯। বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক কে?

উত্তরঃ চার্লস ডারউইন

💙২০। সনেটের জনক কে?

উত্তরঃ পের্ত্রাক

💚২১। সামাজিক বিবর্তনবাদের জনককে?

উত্তরঃ হার্বাট স্পেন্সর

💚২২। বংশগতি বিদ্যার জনক কে?

উত্তরঃ গ্রেডার জোহান মেনডেল

💚২৩। শ্রেণীকরণ বিদ্যার জনক কে?

উত্তরঃ কারোলাস লিনিয়াস

💚২৪। শরীর বিদ্যার জনক কে?

উত্তরঃ উইলিয়াম হার্ভে

💚২৫। ক্যালকুলাসের জনক কে?

উত্তরঃ আইজ্যাক নিউটন

💚২৬। বাংলা গদ্যের জনক কে?

উত্তরঃ ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর

💚২৭। বাংলা কবিতার জনক কে?

উত্তরঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত

💚২৮। বাংলা উপন্যাসের জনক কে?

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

💚২৯। বাংলা নাটকের জনক কে?

উত্তরঃ দীন বন্ধু মিত্র

💚৩০। বাংলা সনেটের জনক কে?

উত্তরঃ মাইকেল মধু সুদন দত্ত

💛৩১। ইংরেজী কবিতার জনক কে?

উত্তরঃ খিউ ফ্রে চসার

💛৩২। মনোবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ উইলহেম উন্ড

💛৩৩। বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক কে?

উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম

💛৩৪। বাংলা চলচিত্রের জনক কে?

উত্তরঃ হীরালাল সেন

💛৩৫। বাংলা গদ্য ছন্দের জনক কে?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

💛৩৬। আধুনিক রসায়নের জনক কে?

উত্তরঃ জন ডাল্টন

💛৩৭। আধুনিক গণতন্ত্রের জনক কে?

উত্তরঃ জন লক

💛৩৮। আধুনিক অর্থনীতির জনক কে?

উত্তরঃ পল স্যমুয়েলসন

💛৩৯। আধুনিক বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ রজার বেকন

💛৪০। ইংরেজি নাটকের জনক কে?

উত্তরঃ শেক্সপিয়র ।

💜৪১। ইন্টারনেট এর জনক?

উত্তরঃ ভিন্টন জি কার্ফ

💜৪২। WWW এর জনক কে?

উত্তরঃ টিম বার্নাস লি

💜৪৩। ই-মেইল এর জনক কে ?

উত্তরঃ রে টমলি সন

💜৪৪। ইন্টারনেট সার্চইঞ্জিনের জনক কে?

উত্তরঃ এলান এমটাজ

💜৪৫। কম্পিউটারের জনক কে?

উত্তরঃ চালর্স ব্যাবেজ

💜৪৬। কম্পিউটার মাউসের জনক কে ?

উত্তরঃ ডগলাস এঙ্গেলবার্ট

💜৪৭। মোবাইল ফোনের জনক কে?

উত্তরঃ মার্টিন কুপার

💜৪৮। গুগলের জনক কে?

উত্তরঃ সার্জেই বিন ও লেরি পেইজ।

💜৪৯। ফেসবুকের জনক কে?

উত্তরঃ মার্ক জুকারবার্গ

💜৫০। টুইটারের জনক কে?

উত্তরঃ জ্যাক ডোরসেই , বিজ স্টোর্ন

অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস চতুর্থ অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর?


 1. কত খ্রিস্টাব্দে ইজারাদারি ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?


উত্তর: ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ইজারাদারি ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।


2. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কারা সব থেকে বেশি


ক্ষতিগ্রস্ত হয়?


উত্তর: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কৃষকরা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


3 আবওয়াব' শব্দের অর্থ কী?


উত্তর: 'আবওয়াব' শব্দের অর্থ হল বেআইনি কর।


4 রায়তওয়ারি ব্যবস্থায় খাজনার হার কত ছিল?


উত্তর: রায়তওয়ারি ব্যবস্থায় খাজনার হার ছিল উৎপাদনের ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ।


5 মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কোথায় চালু হয়েছিল?


উত্তর: মহলওয়ারি বন্দোবস্ত উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে চালু হয়েছিল।


6 দাদন বা অগ্রিম টাকা দিয়ে চাষ করানো কোন্ চাষের সাথে যুক্ত ছিল?


উত্তর: দাদন বা অগ্রিম টাকা দিয়ে চাষ করানো নীলচাষের সঙ্গে যুক্ত ছিল।


7.কত খ্রিস্টাব্দে নীল বিদ্রোহ ঘটেছিল? 

উত্তর: ১৮৫৯-৬০ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় নীল বিদ্রোহ ঘটেছিল। ৪ নীলচাষ ছাড়া আর কোন্ চাষে ইস্ট ইন্ডিয়া


8.কোম্পানির বেশি উৎসাহ ছিল?


উত্তর: নীলচাষ ছাড়া যে-কোনো বাগিচা ফসল যেমন চা, কফি প্রভৃতি চাষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বেশি উৎসাহ ছিল।


9 'বর্গাদার' শব্দের অর্থ কী?


উত্তর: 'বর্গাদার' শব্দের অর্থ হল ভাগচাষি।


10 কত খ্রিস্টাব্দে দাক্ষিণাত্য হাঙ্গামা ঘটেছিল?


উত্তর: ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে দাক্ষিণাত্য হাঙ্গামা


ঘটেছিল।


11 কত খ্রিস্টাব্দে Agriculturists Relief Act পাস হয়?


উত্তর: ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে Agriculturists Relief Act পাস হয়।


12 ঔপনিবেশিক আমলে ভারতীয় শিল্পের অবলুপ্তির প্রক্রিয়াকে কী বলা হত?


উত্তর: ঔপনিবেশিক আমলে ভারতীয় শিল্পের অবলুপ্তির প্রক্রিয়াকে অবশিল্পায়ন বলা হত।


13 কার আমলে ভারতে সর্বপ্রথম রেলপথ নির্মাণের


কাজ শুরু হয়েছিল?


উত্তর: লর্ড ডালহৌসির আমলে ভারতে সর্বপ্রথম রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল।


স্যার, আমাকে চিন‌তে পে‌রে‌ছেন?

 

হঠাৎ এক‌দিন পথিমধ্যে এক বৃ‌দ্ধের সা‌থে এক যুব‌কের দেখা। যুবক একটুখানি অগ্রসর হয়ে স‌ম্বোধন ক‌রে বিনয়ের সাথে  বৃদ্ধ‌কে জিজ্ঞাসা কর‌লো,


স্যার, আমাকে চিন‌তে পে‌রে‌ছেন?


উত্ত‌রে বৃদ্ধ লোক‌ বল‌লেন, না তো বাবা! আমি তোমা‌কে চিন‌তে পা‌রলাম না। অতপর বৃদ্ধ লোক জান‌তে চাই‌লেন, -- "তুমি কে?"


তারপর যুবক‌ বললো, "আমি একসময় আপনার ছাত্র ছিলাম। 


ও আচ্ছা! ব‌লে সেই বৃদ্ধ লোক‌ যুব‌কের কা‌ছে কুশলা‌দি জানার পর জিজ্ঞাসা কর‌লেন এখন  তু‌মি কি কর‌ছো? যুবক‌ অত‌্যন্ত বিন‌য়ের সা‌থে জবাব দিলো,  --"আমি একজন শিক্ষক। বর্তমা‌নে শিক্ষকতা কর‌ছি।"


সা‌বেক ছা‌ত্রের মুখ থে‌কে এই কথা শু‌নে বৃদ্ধ শিক্ষ‌ক অত‌্যন্ত খু‌শি হ‌য়ে বললেন, --বাহ্! বেশ তো! খুব ভালো! খুব ভালো! ঠিক আমার মতো হয়েছো তাহলে!"


যুবক মৃদুহেসে জবাব দিলো, --"জী। আসলে আমি আপনার মতো একজন শিক্ষক হতে পে‌রে‌ছি ব‌লে নি‌জে‌কে ধন‌্য ম‌নে কর‌ছি।" তখন সেই যুবক এর পিছ‌নের কারণ বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে বল‌লো, -"আপনি আমাকে আপনার মতো হতে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছেন স্যার!"


বৃদ্ধ শিক্ষক কিছুটা কৌতূহল নি‌য়ে যুবকের শিক্ষক হওয়ার নেপথ্য কারণ জান‌তে চাই‌লে, যুবক‌ তার শিক্ষক হ‌য়ে উঠার গল্প বল‌তে গি‌য়ে বৃদ্ধ শিক্ষক‌'কে ষ্মরণ ক‌রিয়ে দি‌লো, স্কু‌লে ঘ‌টে যাওয়া সেই পুরনো দিনের ঘটনা। পুরনো দি‌নের  ঘটনা বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে যুবক‌ তখন বৃদ্ধ শিক্ষ‌ককে উ‌দ্দেশ‌্য ক‌রে বল‌লো,


--ম‌নে আছে স্যার?

একদিন আমার এক সহপা‌ঠি বন্ধু, যে আপনারও ছাত্র ছিল, সে একটি নতুন হাতঘড়ি নি‌য়ে ক্লা‌সে এসেছিল। তার ঘড়ি‌টি এতোটাই সুন্দর ছিল যে, আমি কোনভাবেই লোভ সামলা‌তে পা‌রি‌নি। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যেভাবেই হোক ঘ‌ড়ি‌টি আমার  চাই। অতঃপর, সুযোগমতো আমি তার প‌কেট থে‌কে ঘ‌ড়িট‌ি  চুরি করি।


কিছুক্ষণ পর আমার সেই বন্ধু তার ঘড়ির অনুপস্থিতি লক্ষ্য করে এবং অবিলম্বে আমাদের স্যার অর্থাৎ আপনার কাছে অভিযোগ করে। তার এই অ‌ভি‌যোগ শু‌নে  আপনি ক্লাসের উদ্দেশ্যে বলে‌ছি‌লেন,  --"আজ ক্লাস চলাকালীন সম‌য়ে এই ছাত্রের ঘড়িটি চুরি হয়েছে,  যেই চুরি করে থাকো,  ঘা‌ড়ি‌টি ফিরিয়ে দাও।"

আপনার নির্দেশ শু‌নেও আমি ঘা‌ড়ি‌টি ফেরত দিতে পারিনি। 


কারণ, ঘড়িটি ছিল আমার কা‌ছে খুবই লে‌াভনীয়,  তাছাড়া, আমরা খুবই গরীব ছিলাম, এমন ঘড়ি ক্রয় করার সামর্থ্যও আমাদের ছিল না। তারপর আপনি দরজা বন্ধ করে  সবাই কে বেঞ্চ ছে‌ড়ে উঠে দাঁড়ি‌য়ে ক্লাসরু‌মের ফ্লো‌রের ম‌ধ্যে একটি গোলাকার বৃত্ত তৈরি করতে বললেন এবং সবাই‌কে চোখ বন্ধ করার নির্দেশন দি‌লেন, অতঃপর ঘড়ি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত  আপনি পর্যায়ক্রমে আমাদের সবার পকেট খুঁজ‌তে লাগ‌লেন। আমরা সবাই  আপনার নির্দেশনা মোতাবেক নিরবে দাঁ‌ড়ি‌য়ে রইলাম।


এক এক ক‌রে পকেট চেক ক‌রতে গিয়ে একটা সময় আপনি যখন আমার পকেটে হাত দি‌য়ে ঘ‌ড়ি‌টি খুঁ‌জে পে‌লেন তখন ভ‌য়ে, লজ্জায়  আমার শরীর কাঁপ‌ছিল। কিন্তুু সেই মুহূ‌র্তে ঘড়ি‌টি আমার প‌কে‌টে পাবার পরও আপনি কিছু ব‌লেন‌ নি এবং শেষ ছাত্র পর্যন্ত সবার প‌কেটই চেক কর‌ছি‌লেন। সব‌শে‌ষে আপ‌নি সবাই‌কে বললেন ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে, এবার তোমরা সবাই চোখ খুল‌তে পা‌রো। 


ঘ‌ড়ি‌টি পাবার পর আমার সেই বন্ধু‌টি আপনার কা‌ছে জান‌তে চে‌য়ে‌ছিল, "ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গি‌য়ে‌ছিল? ‌কিন্তুু আপনি তা‌কে ব‌লে‌ছি‌লেন, ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গে‌ছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তোমার ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। 


সেই দি‌নের ঘটনা নি‌য়ে পরবর্তী‌তে আপনি আমার সা‌থে কো‌নো কথা ব‌লেন‌নি। এমন‌কি সে কাজের জন‌্য আপনি আমাকে  তিরস্কারও করেননি। নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য  আপ‌নি আমাকে স্কু‌লের কো‌নো কামরায় নিয়ে যাননি। সেই ঘটনা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে লজ্জাজনক দিন। অথচ  আপ‌নি অত‌্যন্ত বু‌দ্ধিমত্তার সা‌থে, কৌশল অবলম্বন ক‌রে  চু‌রি হওয়া ঘ‌ড়ি‌টি উদ্ধার কর‌লেন এবং আমার মর্যাদা চিরতরে রক্ষা করলেন। 


সে ঘটনার পর আমি অ‌নেক‌দিন অনু‌শোচনায় ভোগে‌ছি। ক্লা‌সে ঘ‌টে যাওয়া ঘটনার রেশ সে দিন চ‌লে গে‌লেও এর প্রভাব র‌য়ে যায় আমার ম‌নের ম‌ধ্যে। বি‌বে‌কের যু‌দ্ধে বার বার দং‌শিত হ‌য়ে‌ছি।  তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম এই সব অ‌নৈ‌তিক কাজ আর কখ‌নো করব না। একজন ভা‌লো মানুষ হ‌বে‌া। একজন শিক্ষক হ‌বো। স‌ত্যিকার অ‌র্থে মানুষ গড়ার কা‌রিগর হ‌বো। আপনার কাছ থে‌কে  সে দিন আমি স্পষ্টভাবে বার্তা পেয়েছিলাম প্রকৃতপ‌ক্ষে কি ধর‌ণের একজন শিক্ষা‌বি‌দ হওয়া উ‌চিত। অপমান ছাড়াও  মানু‌ষকে সং‌শোধন করা যায় সে‌টি আপনার কাছ থে‌কে শি‌খে‌ছি। আপনার উদারতা এবং মহানুভবতা আজ আমা‌কে শিক্ষ‌কের মর্যাদায় আসীন ক‌রে‌ছে। 


সা‌বেক ছা‌ত্রের কথাগু‌লো শোনতে শোনতে বৃদ্ধ শিক্ষকের চোখে জল গড়িয়ে পড়লো! চোখের জল মুছতে মুছতে মৃদু হেসে শিক্ষক বললেন,  --"হ‌্যাঁ, সেই ঘটনা আমার দিব্যি ম‌নে আছে। কিন্তুু আমি তোমাকে মনে রাখিনি,  কারণ সে সময় শুধু তোমাদের নয় আমার চোখও বন্ধ ছিল।"


তারপর শিক্ষক দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করে বললেন,

"তুমিই বলো বাবা, কোন শিক্ষক কি সন্তানতূল্য ছাত্রদের চোরের বেশে দেখতে পারে? শিক্ষক চায় তার ছাত্রদের বীরের বেশে দেখে গর্ববোধ করতে।"


▪️গল্পটির মেসেজ:


"কাউকে অপমানিত করার মধ্যে কোন বড়ত্ব নেই। প্রকৃত বড়ত্ব থাকলে সেটা আছে, কাউকে নির্ঘাত অপমানের হাত রক্ষার মধ্যে। এতে নির্ঘাত অপমানের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া ব্যক্তি ভালো মানুষে পরিণত হওয়ার সুযোগ তৈরী হয়।"


                                    

Spoken English 1


আপনি খেয়েছেন? 

Have you eaten? 

হ্যা, আমি খেয়েছি। 

Yes, I have eaten.

আপনি কি খেয়েছেন? 

What have you eaten?

আমি পিজ্জা খেয়েছি। 

I have eaten pizza.

আপনি কোথায় পিজ্জা খেয়েছেন? 

Where have you eaten pizza?

আমি রেস্টুরেন্টে পিজ্জা খেয়েছি। 

I have eaten pizza at resturent.

রেস্টুরেন্টি কোথায়? 

Where is  the resturent?

গাজীপুর মৌচাক ডাচ বাংলা ব্যাংকের বাম পাশে। 

Gazipur Mouchak nearest of DBBL's left side.

রেস্টুরেন্টির নাম কি? 

What is the name of the restaurant?

নাম হচ্ছে বাসমতি রেস্টুরেন্ট। 

Name is Bashmoti resturent.

এটা কি খুব ভালো রেস্টুরেন্ট? 

Is it good well resturent?

হ্যা, এটা খুব ভালো রেস্টুরেন্ট। 

Yes, it is so good resturent.

আমি সেখানে যাব এবং একটি পিজ্জা ক্রয় করব। 

I will go there and i will buy a pizza.


সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ষষ্ঠ শ্রেণীর প্রশ্ন উত্তর .....

ইতিহাস 
প্রশ্ন উত্তর




ভূমিকা : সুলতানি ও মুঘল যুগে গ্রামের পাশাপাশি অনেক নগর ও শহরের অবস্থান ছিল, যা ছিল আর্থিক লেনদেন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। মধ্যযুগের অন্যতম নগর ছিল দিল্লি, এ ছাড়াও অনেক বাজার, যেমন— বাংলায় পান্ডুয়া, গৌড়, নবদ্বীপ, চট্টগ্রাম, পাঞ্জাবের লাহোর, উত্তর ভারতের আগ্রা, ফতেপুর সিক্রি, গোলকোন্ডা, বিজাপুর সুরাট, আহমেদাবাদ প্রভৃতি। দিল্লিকে কেন্দ্র করে মধ্যযুগে সাতটি নগর শহর গড়ে ওঠে— (১) কিলা রাই পিথোরা, (২) সিরি, (৩) তুঘলকাবাদ, (৪) জাহানপনাহ, (৫) ফিরোজাবাদ, (৬) পুরানা কেল্লা, (৭) শাহাজনাবাদ ।

 ত্রয়োদশ শতক থেকে অষ্টাদশ শতকের মধ্যেকার ভারতে ব্যাবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার দেখা দেয়। বণিকেরা জলপথ ও সড়কপথে বাণিজ্য পরিচালনা করত। পশুর পিঠে, পালতোলা নৌকা ও জাহাজে মালপত্র নিয়ে বণিকরা বেচাকেনা করত। ভারতীয় বণিকদের পাশাপাশি বিদেশি বণিকদের কথাও জানা যায়। এইসময় নতুন নতুন শহর গড়ে ওঠায় জনসমাগম বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে। সুলতানি আমলে দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলগুলির সাথে ভারতের বাণিজ্যের লেনদেন গড়ে ওঠে। সুলতানি শাসকরা নতুন নতুন সড়কপথ, বণিকদের বিশ্রাম ও থাকার জন্য সরাইখানা, কূপ খনন প্রভৃতি কর্মসূচী গ্রহণ করেন।

 পোর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণের মালাবারে উপস্থিত হন। আলবুকাকের হাত ধরে ভারতে পোর্তুগিজ প্রাধান্য স্থাপিত হয়। ডাচ, ফরাসি, দিনেমার, ইংরেজ এরপর একে একে ভারতে নিজ ঘাঁটি স্থাপন করেন। এইভাবে ভারতের গুজরাট, উত্তর ও দক্ষিণ করমণ্ডল এবং বাংলাদেশ হয়ে ওঠে ইউরোপীয় বণিকদের প্রধান অঞ্চল।

 

দু-এককথায় উত্তর দাও :


 ১. মধ্যযুগে ভারতে গড়ে ওঠা কয়েকটি শহরের নাম লেখো।

 উত্তর। মধ্যযুগের শহরগুলি হল দিল্লি, বাংলার পান্ডুয়া, গৌড়, নবদ্বীপ, চট্টগ্রাম, পাঞ্জাবের লাহোর, উত্তর ভারতের আগ্রা, আকবরের তৈরি ফতেপুর সিক্রি, দাক্ষিণাত্যের বুরহানপুর, গোলকোণ্ডা ও বিজাপুর এবং পশ্চিমে আমেদাবাদ, সুরাট ইত্যাদি।


 ২. কে দিল্লিতে সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন ? 

উত্তর । ত্রয়োদশ শতকে মহম্মদ ঘুরির সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবক ।


 ৩. শাহজাহানাবাদ শহরটি কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন? 

উত্তর। সপ্তদশ শতকে মুঘল সম্রাট শাহজাহান ।


 ৪. যমুনার তীরে কিলোঘরি প্রাসাদটি কে নির্মাণ করেছিলেন?

 উত্তর। ত্রয়োদশ শতকে বলবনের পৌত্র কায়কোবাদ এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন।


 ৫. গিয়াসউদ্দিন তুঘলক নির্মিত শহরটির নাম কী?

 উত্তর। তুঘলকাবাদ।


 ৬. দিল্লি কেন ‘হজরত-ই-দিল্লি' নামে পরিচিত ?

 উত্তর। দিল্লি সুফিসাধকদের অন্যতম পীঠস্থান হয়ে ওঠায় এটি ‘হজরত-ই-দিল্লি' নামে পরিচিত।


 ৭. ‘হৌজ-ই আলাই' নামক চারকোনা জলাধারটি কে খনন করিয়েছিলেন?

 উত্তর। আলাউদ্দিন খলজি।


 ৮. সুলতানি শাসনের সাড়ে তিনশো বছরে দিল্লির শাসকরা মোট কতবার শাসনকেন্দ্র বদল করেছিলেন ? 

উত্তর। এগারো বার।


৯. ফতেপুর সিক্রি শহরটি কে কোথায় নির্মাণ করেন ?

 উত্তর। আকবর শেখ অলিম চিস্তির স্মৃতিধন্য সিক্রি গ্রামে ফতেপুর সিক্রি শহরটি নির্মাণ করেন।


 ১০. সুলতানি আমলে প্রধান মুদ্রা কী ছিল ?

 উত্তর। সুলতানি আমলের প্রধান মুদ্রা ছিল সোনার মোহর, রুপোর তঙ্কা ও তামার জিতল।


 ১১. মুঘল আমলের কয়েকটি মুদ্রার নাম করো। 

উত্তর। মুঘল আমলে সোনার মুদ্রা মোহর বা আশরফি, রুপোর মুদ্রা তঙ্কা এবং তামার মুদ্রা জিতল।


 ১২. ভাস্কো-দা-গামা কত খ্রিস্টাব্দে ভারতে আসেন ?

 উত্তর। ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে পোর্তুগালের রাজার দূত ভাস্কো-দা-গামা আফ্রিকার দক্ষিণের উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ভারতের দক্ষিণে মালাবার উপদ্বীপের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান।


 ১৩. সমুদ্রবাণিজ্যে পোর্তুগিজদের প্রাধান্য কে প্রতিষ্ঠিত করেন ?


উত্তর। ভাস্কো-দা-গামার পরবর্তী পোর্তুগিজ নৌ-সেনাপতি ডিউক-অফ আলবুকার্ক।


 ১৪. বাণিজ্যিক চাষ কাকে বলে ?

 উত্তর। বাজারে বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হবার জন্য যে চাষ করা হত, তাকে বাণিজ্যিক চাষ বলে। যেমন—আফিম ও রেশমের চাষ ।


২. সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর :


 ১. এলাহাবাদ দুর্গ, আটক দুর্গ ও রোহটাস দুর্গের অবস্থান ও গুরুত্ব কী রকম ছিল ?

 উত্তর। এলাহাবাদ দুর্গ : গঙ্গা-যমুনার সন্ধিস্থলে বানানো এলাহাবাদ দুর্গ থেকে গঙ্গা-যমুনা দোয়াব অঞ্চলের ওপর নজরদারি করা হত।

 আটক দুর্গ ও রোহটাস দুর্গ : রাজপুতানার আজমের ও উত্তর-পশ্চিম সিন্ধু নদের পারে তৈরি আটক দুর্গ ও তার কিছু পূর্ব দিকে রোহটাস দুর্গ ছিল অবস্থানগত কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই কেন্দ্রগুলোর সাহায্যে সিন্ধু যমুনা-গঙ্গা অববাহিকার সুবিশাল, উর্বর, সমতল অঞ্চলের জনগণ, কৃষি, শিল্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক ধনসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যেত।


 ২. সুলতানি আমলে কী মুদ্রা ছিল ?

 উত্তর। সুলতানি আমলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রধান মুদ্রা ছিল সোনার মোহর, রুপোর তঙ্কা ও তামার জিতল। ওই আমলের শেষদিকে উত্তর ভারতে আদানপ্রদানের মাধ্যম হিসাবে প্রচলিত হয় এক রকমের রুপো ও তামা মেশানো মুদ্রা। শেরশাহ সোনা, রুপা, তামা এই তিন রকমের মুদ্রা চালু করেন যা পরবর্তী কালে মুঘলরাও অনুসরণ করেছিলেন।


 ৩. মধ্যযুগে ভারতীয় বণিক সম্প্রদায় সম্পর্কে কী জান?

 উত্তর। মধ্যযুগীয় বাণিজ্যিক ইতিহাসে ভারতীয় বণিকগোষ্ঠীর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। এই সময় ভারতীয় বণিক দেশের অভ্যন্তরে ও বহির্বিশ্বের সাথে এক প্রাণোজ্জ্বল বাণিজ্যিক লেনদেন গড়ে তুলেছিল। মধ্যযুগীয় সম্রাটদের উৎসাহ দান একে আরও ত্বরান্বিত করেছিল। বাণিজ্যে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় বণিকদের মধ্যে গুজরাতি, মালাবারি, তামিল, ওড়িয়া, তেলুগু ও বাঙালি বণিকরা সুনাম অর্জন করেছিল। এই বণিকরা ধর্মে ছিল হিন্দু, মুসলমান ও জৈন। এরা আরব, পারসিক ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বণিকদের সাথে বাণিজ্য করত। এরা বিভিন্ন প্রকার খাদ্য শস্য, তৈলবীজ, তুলো, রেশম, সুতি বস্ত্র, নীল, আফিম ও মশলা রপ্তানি করে থাকত দেশ ও বিদেশের বাজারগুলোতে। এই বণিকদের মধ্যে যারা খুব বেশি ধনী ছিল তাদের বলা হত বণিক-সম্রাট। ভারতীয় বণিক সম্প্রদায় পণ্য বোঝাই বড়ো বড়ো জাহাজ নিয়ে বাণিজ্যে যেত

সংক্ষেপে (৩০-৫০টি শব্দের মধ্যে) উত্তর দাও : (পূর্ণমান—৩) 


(ক) কী কী ভাবে মধ্য যুগের ভারতে শহর গড়ে উঠত?

 উত্তর। শহর কথাটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। সুলতানি ও মধ্য মুঘল আমলে ভারতে গ্রামের পাশাপাশি অনেক শহর গড়ে উঠেছিল। শহরগুলি প্রধানত ছিল আর্থিক লেনদেন ও ব্যাবসা বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কারণেও শহর গড়ে উঠত। যেখানে দুর্গ নির্মাণ এবং প্রশাসনিক কাজকর্ম দেখভাল সহজ ছিল। সেখানেই মধ্যযুগের শহর গড়ে তোলা হত ৷ এই কারণগুলির কথা মাথায় রেখেই রাজা-রাজরা ও বণিকবৃন্দ এই অঞ্চলগুলির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে। শহর গড়ে তোলার ব্যবস্থা করতেন। আবার অনেক সময় ধর্মীয় স্থান বা মন্দির, মসজিদকে ঘিরে কোনো কোনো শহর গড়ে উঠত। এ ছাড়া নদী-বাণিজ্যের সুবিধার কথা ভেবেও বিভিন্ন নদী তীরবর্তী অঞ্চলে শহর গড়ে উঠত। যেমন— গিয়াসউদ্দিন বলবনের আমলে যমুনার পারে তৈরি হয়েছিল গিয়াসপুর শহরতলি। কায়কোবাদ ত্রয়োদশ শতকে যমুনার তীরে তৈরি করেন কিলোয়ারি প্রাসাদ।


(খ) কেন সুলতানদের সময়কার পুরানো দিল্লির আস্তে আস্তে ক্ষয় হয়েছিল?

উত্তর। কুতুবউদ্দিন আইবকের আমলে দিল্লি তৈরি হয়েছিল রাজপুত শাসকদের শহর কিলা রাই পিথোরাকে কেন্দ্র করে। এটাই ছিল সুলতানি আমলের প্রথম দিল্লি বা পুরানো দিল্লি। মহম্মদ বিন তুঘলকের আমলে কুতুব দিল্লির বা পুরানো দিল্লিকে একটি প্রাচীর দিয়ে ঘেরার চেষ্টা হয়েছিল। চতুর্দশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে দিল্লি শহরের চেহারা বদলে যায়। আগেকার মতো আরাবল্লির পাথুরে এলাকায় শহর তৈরি না করে। ফিরোজ শাহ তুঘলক যে ফিরোজাবাদ শহর গড়ে তোলেন তার মধ্যমণি ছিল ফিরোজশাহ কোটলা । যার অবস্থান ছিল যমুনা নদীর ধার বরাবর। এই পরিকল্পনার ফলে শহরের জলের সমস্যা লাঘব হয়। নদীপথে অল্পখরচে বয়ে আনা জিনিসপত্র শহরের অধিবাসীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সহজ হয়। এর ফলে সুলতানদের পুরানো দিল্লি শহর আস্তে আস্তে ক্ষয় পেতে লাগল। ফিরোজাবাদ শহর পত্তনের ফলে এই ক্ষয় পূরণ করা সম্ভব হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।


(গ) কেন, কোথায় শাহজাহানাবাদ শহরটি গড়ে উঠেছিল ?

উত্তর। ১৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে শাহাজাহান দিল্লিতে শাহাজানাবাদ শহরটি গড়ে তুলেছিলেন। ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে শাহজাহান আগ্রা থেকে দিল্লি চলে আসেন। শাহাজাহান কর্তৃক শাহাজানাবাদ শহরটি গড়ে তোলার কারণ হল – এই সময়ে যমুনা নদীর পাড় ভেঙে আগ্রা শহর ক্রমশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। এমনকি শহরে পথঘাটও ঘিঞ্জি হয়ে পড়ে। যার জন্য প্রয়োজন ছিল নতুন কোনো শহরের পত্তন। এ ছাড়া আগ্রার প্রাসাদদুর্গ মুঘল বাদশাহের জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের জন্য আর যথেষ্ট বড়ো ছিল না। তাই তৈরি করা হল শাহজানাবাদ শহরটি।


(ঘ) ইউরোপীয় কোম্পানির কুঠিগুলি কেমন ছিল ?

উত্তর। ইউরোপীয় বাণিজ্যিক কোম্পানি ইংরেজ, ডাচ, ফরাসি দিনেমার বা বাণিজ্যের সুবিধার্থে ভারতে বেশ কিছু বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করেছিল। এগুলি তাদের বাণিজ্যকেন্দ্র রূপে কাজ করত। যেখান থেকে বাণিজ্যিক লেনদেন পরিচালনা করা হতো। এ ছাড়া কোম্পানির কুঠিতে ইউরোপীয় বণিকরা নিজেদের মতো করে বাড়িঘর করত। কুঠিগুলো তারা অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে দুর্গের মতো সুরক্ষিত রাখত। এখানে তাদের বাসগৃহ ও মালের গুদাম থাকত। এই গুদামগুলি থেকে তারা জাহাজে করে ইউরোপে মাল পাঠাত।


(ঙ) মুঘল শাসকরা কী ভাবে ব্যাবসা বাণিজ্যে উৎসাহ দিতেন?

উত্তর। ব্যাবসা বাণিজ্যে মুঘল সম্রাটদের উৎসাহ দান ইউরোপীয় বণিকদের ভারত আগমনে অন্য মাত্রা দিয়েছিল। মুঘল শাসকেরা বাণিজ্য করত বা নিজেদের নানা ভাবে উৎসাহিত করত। আমদানিকৃত মালের শুল্ক ছাড় দিয়ে, বাণিজ্যের অনুমতি দিয়ে তারা বণিকদের সুবিধা করে দিত। এ ছাড়া প্রয়োজনে মুঘল শাসকরা বণিকদের বাণিজ্য ঋণ দেবারও ব্যবস্থা করেছিল। মুঘল অভিজাতদের মধ্যে কেউ সরাসরি কেউ বা নিজে অংশগ্রহণ করেছিল। তবে এই প্রয়াস ছিল খুবই সীমিত। মুঘল সম্রাট, রাজপুত্ররা ও অভিজাতরা নিজেদের প্রয়োজন ও শখ মেটাতে নিজেদের কারখানায় কারিগরদের দিয়ে নানা ধরনের শৌখিন জিনিস, বস্ত্র, বিলাসদ্রব্য তৈরি করত। যা পরোক্ষভাবে বণিকদের উৎসাহ দান করেছিল। তা ছাড়া বিভিন্ন বন্দর শহর ও অভ্যন্তরস্থ বাণিজ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং সেখানে ইউরোপীয় বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন ও ইউরোপের বাজারগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন মুঘল যুগের বাণিজ্যধারাকে বেগবান করেছিল।


◾ বিশদে (১০০-১২০টি শব্দের মধ্যে) উত্তর দাও : (পূর্ণমান-৫)


(ক) খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতকে দিল্লি কেন একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হয়ে উঠেছিল ?

উত্তর। ত্রয়োদশ শতক থেকে দিল্লি একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ছিল আরাবল্লি শৈলশিরার একটি প্রান্ত ও যুমনা নদীবিধৌত সমতলের সংযোগস্থলে। এখানে আরাবল্লির পাথর দিয়ে জমির ঢাল অনুযায়ী সুরক্ষিত দুর্গনির্মাণ করা সহজ ছিল। ফলে উত্তর-পশ্চিম দিকের সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে যে মোঙ্গল আক্রমণ -এর সম্ভাবনা ছিল তা থেকে রাজধানীকে মুক্ত করা সম্ভবপর ছিল। আবার দিল্লি শহরের পাশ দিয়েই প্রবাহিত হয়েছিল যমুনা নদী, যা শহরের পূর্ব দিকে একটি প্রাকৃতিক সীমানা রচনা করেছিল। এ ছাড়া যমুনা নদী ছিল প্রধান জলপথ, তার সাথে সমুদ্রবাণিজ্য বৈদেশিক বাণিজ্য বন্দরগুলি যুক্ত ছিল, যা দিল্লিকে অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করেছিল। এই প্রাকৃতিক সীমানা ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই বহু যুগ ধরেই রাজরাজরা ও বণিকবৃন্দ দিল্লি অঞ্চলের দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়েছিলেন।

ত্রয়োদশ শতকে মহম্মদ ঘুরির সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবক দিল্লিতে সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। আজ পর্যন্ত মধ্য যুগের দিল্লির সাতটি নাগরিক বসতির চিহ্ন পাওয়া গেছে। দিল্লির প্রশাসনিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে মধ্যযুগের সুলতানরা দিল্লিকে ঘিরে তাদের কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। যেমন—কুতুবউদ্দিন আইবকের আমলে, দিল্লি তৈরি হয়েছিল রাজপুত শাসকদের শহর কিলা রাই পিথোরাকে কেন্দ্র করে। এটাই ছিল সুলতানি আমলের প্রথম দিল্লি বা কুতুব দিল্লি। দিল্লি শহরটি যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় ও এটি একটি রাজধানী শহর হওয়ায় বিদেশি পর্যটক ও বণিকদের কাছে শহরটি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে এবং ত্রয়োদশ শতক থেকেই দিল্লিতে বিভিন্ন পর্যটক ও বণিকদের আগমনও উত্তরোত্তর বাড়তে শুরু করে।


(খ) শাহজাহানাবাদের নাগরিক চরিত্র কেমন ছিল?

উত্তর। ১৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট শাহজাহান দিল্লি শহরে শাহজানাবাদ শহরটি নির্মাণ করেছিলেন। আগ্রা থেকে এখানেই তিনি রাজধানী স্থানান্তর করেন। এখানেই তিনি লাল রঙের বেলেপাথর দিয়ে বিখ্যাত লালকেল্লা নির্মাণ করেন। শাহাজাহানবাদের নাগরিক বসতি ছিল মিশ্র প্রকৃতির। এখানে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বসবাস করত এবং এদের বসত বাড়িগুলি ছিল বিভিন্ন প্রকারের। রাজপুত্র ও উচ্চপদস্থ আমিররা সুন্দর বাগান বাড়িতে থাকত। তাদের বাড়িগুলি ছিল সুন্দরভাবে সজ্জিত। ধনী বণিকরা টালি দিয়ে সুন্দরভাবে সাজানো ইট ও পাথরের অট্টালিকাতে থাকত। সাধারণ ব্যবসায়ীরা থাকত নিজেদের দোকানের উপরে বা পেছন দিকের ঘরে। এদের কোনো পৃথক বাসস্থান ছিল না। মুঘল যুগের সবচেয়ে বড়ো ও সুন্দর বাড়িগুলোকে বলা হত ‘হাভেলি'। এ হাভেলিতে সাধারণত রাজপুত্র, উচ্চপদস্থ আমির ও রাজপরিবারের সদস্যরাই থাকত। এর থেকে নিচুস্তরের বাড়িকে ‘মকান' ও 'কোঠি' বলা হত। যেখানে সাধারণ ব্যবসায়ীরা থাকত। সবচেয়ে ছোটো ঘরকে বলা হত 'কোঠরি' যা ছিল সাধারণ -এর বাসগৃহ। এ ছাড়া ছিল আলাদা বাংলো বাড়ি। বড়ো বড়ো বাড়ির আশেপাশে মাটি ও খড় দিয়ে তৈরি বহু ছোটো ছোটো কুঁড়েঘর ছিল। এই সব কুঁড়েতে সাধারণত সৈনিক, দাসদাসী, কারিগর প্রমুখ মানুষজন থাকত। বসতবাড়ির এই বিস্তর পার্থক্য পরিলক্ষিত হলেও বসতি এলাকার মধ্যে কোনো বিভাজন ছিল না। সেযুগে উচ্চপদস্থ আমির ও গরিব কারিগর একই মহল্লায় পাশাপাশি অবস্থান করত। বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে মোটামুটিভাবে একটা সম্পর্ক বজায় ছিল। এই মিশ্র প্রকৃতির সুন্দর ভাবে পরিকল্পিত নগর জীবন মধ্যযুগের ইতিহাসে শাহাজানাবাদ শহরটির গুরুত্ব বাড়িয়েছিল।


(গ) দিল্লির সুলতানদের আমলে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তার কেন ঘটেছিল ?

 উত্তর। সমসাময়িক বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে দিল্লির সুলতানদের আমলে ব্যাবসা-বাণিজ্য যথেষ্ট প্রসার লাভ  করেছিল। সুলতানি আমলে ব্যাবসা-বাণিজ্যের বিস্তারের পেছনে অনেকগুলো কারণ ছিল। ত্রয়োদশ-চতুর্দশ শতকে দিল্লির সুলতানরা কয়েকটি নতুন শহর তৈরি করেন বা পুরোনো শহরগুলিতে নতুন করে ঘরবাড়ি তৈরি করেন। এই সব শহরে

সুলতানরা ও তাদের অভিজাতরা, সৈনিকরা ও সাধারণ মানুষ বসবাস শুরু করলে শহরগুলো জনবহুল হয়ে ওঠে। শহরগুলিতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ও বাড়ি-ঘর তৈরির কাঁচামাল জোগান দেবার জন্য আমদানি-রপ্তানির বাণিজ্য গড়ে ওঠে। আবার সুলতানি আমলে রাষ্ট্র কৃষকদের কাছ থেকে নগদে কর নেবার ফলে কৃষকরা নগদ অর্থ জোগাড় করতে ব্যবসায়ীদের কাছে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হত। সেই শস্য নিয়েও বাণিজ্য চলত। সুলতানি আমলে জল ও স্থলপথে অন্তর্বাণিজ্য সম্পন্ন হত। জনবহুল শহরগুলোর অধিবাসীদের প্রয়োজনে গ্রাম থেকে নানা রকম খাদ্যশস্য, খাবার তেল, কাঁচা তুলো, ঘি, আনাজ, ফল, লবণ ইত্যাদি শহরে যেত। আর এক শহর থেকে অন্য শহরে রপ্তানি হত দামি শৌখিন জিনিসপত্র, যেগুলো ধনী, অভিজাতদের জন্যই তৈরি করত কারিগররা।

 সুলতানি আমলে ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাথে বহির্বাণিজ্যের সমধিক সম্প্রসারণ ঘটেছিল। গুজরাত ও মালাবারের বন্দরগুলো থেকে পশ্চিম দিকে আরব সাগর, পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরের তীরবর্তী দেশগুলিতে প্রধানত বস্ত্ৰ মশলা, নীল ও খাদ্যশস্য যেত। আর ওইসব দেশ থেকে আসত ঘোড়া, কাচের তৈরি সামগ্রি, সাটিন কাপড়, ইত্যাদি।


 (ঘ) মধ্যযুগে ভারতে দেশের ভেতরে বাণিজ্যের ধরনগুলি কেমন ছিল তা লেখো।

 উত্তর। মধ্যযুগীয় ভারতীয় ইতিহাসে প্রাপ্ত বিভিন্ন নথিপত্র থেকে এযুগে দেশের ভেতর সাধারণত দুধরনের বাণিজ্যের কথা জানা যায়। প্রথমত গ্রাম ও শহরের বাণিজ্য এবং দ্বিতীয়ত দুটি শহরের মধ্যে বাণিজ্য। এই কারণে জনবহুল শহরগুলির অধিবাসীদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য গ্রাম থেকে শহরে কম দামি কিন্তু অনেক বেশি পরিমাণে জিনিস জলপথে নিয়ে আসত। এই সব জিনিসের মধ্যে ছিল নানা প্রকার খাদ্যশস্য, তৈলবীজ, কাঁচাতুলো, ঘি, আনাজ, ফল, লবণ ইত্যাদি। শহরের বাজারে এই সব পণ্য বিক্রি হত। বর্তমানকালের মতো সেই আমলেও গ্রামগুলো নগরবাসীর কৃষি ও হস্তশিল্পজাত সবরকম পণ্যের চাহিদা মেটাতো।

 আবার এক শহর থেকে অন্য শহরে রপ্তানি করা হত প্রধানত বিভিন্ন প্রকার শৌখিন জিনিসপত্র, যেগুলো ধনী ও অভিজাতদের জন্যই তৈরি করত কারিগররা। সুলতানদের রাজধানী দিল্লি শহরে সাম্রাজ্যের নানা এলাকা থেকে দামি মদ, সূক্ষ্ম মসলিন বস্ত্র আমদানি করা হত। তা ছাড়া বাংলাদেশ, করমণ্ডল ও গুজরাতের সুতি ও রেশমের কাপড়ের চাহিদা ছিল দেশের সর্বত্র। সেযুগে গুজরাট তথা পশ্চিম ভারত খাদ্যশস্য-এর দিকে স্ব-নির্ভর ছিল না। এই জন্য পূর্ব ও উত্তর ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যশস্য এই অঞ্চলে আমদানি করা হত।

 মধ্যযুগে বিভিন্ন প্রকার হস্তশিল্পের বাণিজ্যও চলত। যেমন—চামড়া, কাঠ ও ধাতুর তৈরি বিভিন্ন জিনিস, গালিচা ইত্যাদি দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রপ্তানি হত। বাণিজ্যের সূত্র ধরেই সেই আমলে বহু নগরকেন্দ্র গড়ে ওঠেছিল, যেমন— সুরাট, বেশগাঁও, সাতগাঁও, সোনারগাঁও, হুগলি প্রভৃতি।



বিশ্ববিখ্যাত কমেডিয়ান চার্লি চ্যাপলিন আমাদের জন্য চারটি কথা রেখে গেছেন।

বিশ্ববিখ্যাত কমেডিয়ান চার্লি চ্যাপলিন আমাদের জন্য চারটি কথা রেখে গেছেন। এগুলো আমাদের জীবনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা, 
০১) জগতে কোনো কিছুই চিরস্থায়ী না। এমনকি আমাদের সমস্যাও না।
০২) আমি বৃষ্টিতে হাঁটি, যেন কেউ আমার অশ্রু দেখতে না পায়।
০৩) যেদিন হাসলাম না, সে দিনটি নষ্ট করলাম। দেহের যন্ত্রণা থেকে মুখের ঠোঁটকে সবসময় আলাদা রাখি।
০৪) জগতে সবচেয়ে ভালো ছয় জন ডাক্তার হলো :--
সূর্য,
বিশ্রাম,
শরীর চর্চা,
পরিমিত খাবার,
আত্ম মর্যাদা এবং
বিশ্বস্ত বন্ধু।
এই ছয় ডাক্তারের সাথে সুসম্পর্ক যার,
সুন্দর শরীর আর দেহ মন তার।
তুমি যদি চাঁদের সৌন্দর্য্য দেখো, তবে স্রষ্টার সৌন্দর্য্য কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারবে। যদি তুমি সূর্য দেখো, তবে মহাপরাক্রমশালী বিধাতার ক্ষমতার নিদর্শন একটু হলেও বুঝতে পারবে।
আর তুমি যদি আয়নায় নিজের চেহারার প্রতিফলন দেখো, তবে ঈশ্বরের সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি তুমি দেখতে পাবে।
আমরা সবাই যার যার গন্তব্যের অভিযাত্রী। স্রষ্টা এই যাত্রা পথের মহাপরিকল্পনাকারী। কারো যাত্রা শুরু হচ্ছে, কারো যাত্রা শেষ হয়ে যাচ্ছে। মহাকালের হিসাবে এই যাত্রাপথ খুবই ক্ষণস্থায়ী। আজ আছি কাল নাই। তাই ঘৃণায় সময় নষ্ট না করে, এই যাত্রাপথটুকু ভালোবাসা দিয়েই উপভোগ করে যাই।

টাকা_তোমার_ঠিকই_কিন্তু_সম্পদ_সমাজের

✔️❝#টাকা_তোমার_ঠিকই_কিন্তু_সম্পদ_সমাজের❞
ভারতীয় ধনকুবের রতন টাটাকে জার্মানির এক রেস্তোরাঁয় খাবার নষ্টের অপরাধে ৫০ ইউরো জরিমানা করা হয়। এই সামান্য অর্থ তাঁর জন্য বড় কোনো বিষয় ছিল না। তবে সেদিন রেস্তোরাঁয় গিয়ে তিনি যা শিখেছেন, তিনি তা সত্যিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। 
তিনি লেখেন— “বিশ্বের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ জার্মানি। একবার সহকর্মীকে নিয়ে হামবুর্গে একটি রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলাম আমি। যেহেতু আমরা খুব ক্ষুধার্ত ছিলাম, সেজন্য বেশ অনেকটা খাবার অর্ডার করেছিলেন আমার সহকর্মী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খাবারই ছুঁয়ে দেখা হলো না আমাদের।"
এরপর আমি ও আমার সহকর্মী যখন রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, ওই সময় এক বয়স্ক মহিলা বিরক্ত হয়ে বললেন, “তোমাদের খাবার নষ্ট করা উচিত হয়নি।”
সহকর্মী ওই মহিলাকে উত্তর দিল, “আমরা টাকা দিয়ে খাবার কিনেছি। খাবার খাব না ফেলে দেব এটাতে তোমার মাথা ঘামানোর কী আছে?”
এই উত্তরে বেশ ক্ষেপে গেলেন ওই মহিলা। সঙ্গে থাকা আরেকজন তৎক্ষণাৎ ফোন বের করে কাকে যেন ফোন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার পোশাক পরা এক ব্যক্তি এসে হাজির হলেন।
ওই ব্যক্তি সবকিছু শুনে আমাকে এবং সহকর্মীকে ৫০ ইউরো জরিমানা করে বসলেন। 
ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যাই আমি। 
তারপর সেই কর্মকর্তা রাগান্বিত সুরে বললেন: "তুমি যা খেতে পারবে, শুধুমাত্র তাই অর্ডার কর। ❝টাকা তোমার ঠিকই, কিন্তু সম্পদ সমাজের❞
এই পৃথিবীতে এমন অনেকেই আছে যারা খাবারের অভাবে ভুগছে। সম্পদ নষ্ট করার কোনো অধিকার তোমার নেই।"

যে দেশে ১৭ বছর পড়ালেখা করে পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে চাকরির আবেদন করতে গিয়ে বেকার যুবক শোনে

যে দেশে ১৭ বছর পড়ালেখা করেপড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে চাকরিরআবেদন করতে গিয়ে বেকার যুবক শোনে"অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকরি দেয়া হয়না।তখন প্রশ্ন জাগে তাহলে ১৭ বছরওয়ার্কশপে কাজ শিখলেই হতো !.- যে দেশে পাশ করার ৪ বছরের মধ্যেবিয়ে করতে গেলে পাত্রীর মা"প্রতিষ্ঠিত পাত্রের" দোহাই দিয়েবিদায় করে দেয় সেখানেও প্রশ্ন আসে১৭ বছর পড়ালেখা না করে তো ব্যবসারচিন্তা করলেই হতো, কাড়ি কাড়িটাকা থাকতো !.- এদেশে কি সার্টিফিকেট আর ২টাকার পুরোনো নোটের মধ্যে আদৌকি কোন পার্থক্য থাকছে ?১৭ বছর পড়াশোনা করে যদি ১২ হাজারটাকা বেতনে সকাল ৯টা টু রাত ৯টাডিউটির অফার আসে, তাহলে নামেরআগে ওই "ইঞ্জিনিয়ার/ গ্রেজুয়েট"শব্দেরদরকার কি ?সিএনজি চালিয়েও ১৫ হাজারের ওবেশী ইনকাম করা যায় !